সোনার বাংলা ২৪.কম

সংবাদ শিরোনাম
লোডিং...
Menu
আন্দারিয়া পাড়া মোড়ে গনসংযোগ

আন্দারিয়া পাড়া মোড়ে গনসংযোগ

নওগাঁ মান্দা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক
 এ্যাডঃ মোঃ নাহিদ মোর্শেদ (বাবু) ১২নং (কাঁশোপাড়া ইউনিয়ন) ৯নং ওয়ার্ডের আন্দারিয়া পাড়া মোড়ে গনসংযোগ করেন
মান্দার অসহায়-গরীব,দুঃখী,মেহনতী মানুষের আস্থাভাজন, মানবতার ফেরিওয়ালার, মান্দার মানুষের রাখাল রাজা যাকে ডাক দিলেই সুখ-দুঃখে কাছে পায়। তৃণমূল আওয়ামীলীগের অহংকার, ক্লিন ইমেজের পরিছন্ন,সৎ,যোগ্য,মানবিক ও কর্মী বান্ধব জননেতা। মান্দার আমজনতার একটাই দাবী মান্দার তৃণমূল আওয়ামী লীগের একটাই দাবি মান্দার আওয়ামী লীগ পাগল ভাইদের একটাই দাবি মান্দার নির্যাতিত নিবিড়িত বঞ্চিত আওয়ামী লীগ পাগল ভাইদের একটাই দাবি নাহিদ ভাইকে আগামী_দ্বাদশ_জাতীয়_সংসদ_নির্বাচনে, #৪৯_নওগাঁ_৪_মান্দা_আসনের #এমপি_হিসেবে_দেখতে_চাই
নওগাঁ মান্দা উপজেলা কাঠের ডাঙ্গা - আন্দারিয়া পাড়া

নওগাঁ মান্দা উপজেলা কাঠের ডাঙ্গা - আন্দারিয়া পাড়া

সোনার বাংলা
নওগাঁ মান্দা উপজেলার কাঠের ডাঙ্গা -আন্দারিয়া পাড়া রাস্তা বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে। রাস্তায় কাদা জমে আছে। এতে কয়েক শ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।



স্থানীয় বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন জানান, বৃষ্টির কারণে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছেলে-মেয়েরা এই রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতে পারছে না। চলাচল করতে পারছে না।

আরেক বাসিন্দা মোঃ সোহেল তরফদার জানান, কাঠের ডাঙ্গা থেকে আন্দারিয়া পাড়া যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। এটির এ অবস্থায় মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত এর সংস্কার করা প্রয়োজন।

১২নং কাঁশো পাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জানান, রাস্তাটির ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে এর সুরাহা হতে পারে
কাঠের ডাঙ্গা  গ্রাম যেন নৌকা তৈরির কারখানা

কাঠের ডাঙ্গা গ্রাম যেন নৌকা তৈরির কারখানা

সোনার বাংলা
বর্ষার আগমনের অপেক্ষায় থাকেন তারা সব সময়

এখনো আসেনি ভরা বর্ষা। তবে নদীমাতৃক বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে আস্তে আস্তে বাড়ছে পানি। বর্ষা আর পানির সঙ্গে তেমনই সখ্য গড়ে ওঠে। মান্দা উপজেলা,কাঠের ডাঙ্গা গ্রামে জেলেদের। তাই তো নৌকা তৈরি ও মেরামতকাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। বছরের অন্য মাসগুলোয় তারা যেমনই কাটান, যে পেশাতেই থাকেন, বর্ষার আগমনের অপেক্ষায় থাকেন তারা সব সময়।

গত কয়েক দিনের বর্ষণে পানি প্রবেশ করেছে নদ-নদীতে। আত্রাই নদে মাছ ধরা, এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাতায়াতের

জন্য ব্যবহার করা হয় নৌকা। নদে নতুন পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে বিল অঞ্চলে ধুম পড়েছে নতুন নৌকা বানানোর তোড়জোড়।

 নৌকার পাশাপাশি জেলে সম্প্রদায়ের লোকেরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন জাল বুননের কাজে। কয়েক দিন পরেই নতুন

 নৌকা আর জাল দিয়ে মাছ ধরতে নামবেন জেলেরা। তাই তো নৌকাই যেন জেলেদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আর সংসার চালানোর একমাত্র হাতিয়ার।


নওগাঁ জেলা মান্দা উপজেলার কাঠের ডাঙ্গা গ্রামে নৌকা তৈরির কারখানাগুলোয় দেখা যায় নৌকা তৈরির ধুম। কারিগররা তৈরি করছেন বিভিন্ন আকারের নৌকা। এসব নৌকা তৈরি হচ্ছে শিমুল, কাঁঠাল, মেহগনি, কালেক্টর, কড়ই, গোবরা জিবা, আম, কদম, বাটুলসহ আরও অন্যান্য গাছের কাঠ দিয়ে। ঠুকঠুক শব্দে এগিয়ে চলছে নৌকা তৈরির কাজ।

মান্দা উপজেলা কাঠের ডাঙ্গা গ্রামের নৌকা তৈরির কারিগর সোলেমান সোনার বাংলা কে বলেন, আমরা বর্ষা মৌসুমের

 অপেক্ষায় থাকি। কেননা, বর্ষা মৌসুমের সময় আমাদের কাজের অনেক চাপ থাকে। এখন ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে জেলেদের

 মাছ ধরার নৌকা বানানোর কাজে। চাহিদা মোতাবেক ছোট-বড় বিভিন্ন রকম

 নৌকা বানানো হয়। নৌকাগুলো পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

কাঠের বেপারী মকবুল বলেন, বছরের অন্য মাসগুলো ব্যবসা খুব খারাপ চলে। কারিগররাও খুব কষ্টে সময় পার করেন।

 যদিও বর্ষার সময় এখনো আসেনি। তারপরও বর্ষার পানিতে আত্রাই নদ ভরে গিয়েছে। আমরা বিভিন্ন বাগান থেকে গাছ

 কিনে এনে মিলে সাইজ করি। একটা নৌকা তৈরির জন্য কারিগরদের

 পারিশ্রমিক দেওয়া হয় ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন এলাকার

 লোকজন নৌকা কিনতে আসছেন।


নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা
কাঠের ডাঙ্গা গ্রামের সোলেমান বলেন, আমি ছোট থেকেই নৌকা তৈরির কাজে জড়িত। 

নৌকা তৈরি করি পাশাপাশি নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি।



সুত্রেঃ সোনার বাংলা
ABOUT US
সোনার বাংলা is one of the fastest growing news portal in Bangladesh. সোনার বাংলা keeps its followers updated about major topics like business, entertainment, sports, lifestyle and crime news.
FOLLOW US
  
About Us Contact Us Privacy Policy DMCA
© https://abdurrashid2024bd.blogspot.com


  
গার্মেন্টসকর্মী থেকে বিসিএস ক্যাডার হলেন তমিজ উদ্দিন

গার্মেন্টসকর্মী থেকে বিসিএস ক্যাডার হলেন তমিজ উদ্দিন


মোঃ তমিজ উদ্দিন।ছবিঃ ফেসবুক থেকে নেওয়া 

ভীষণ কোনো প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সাফল্য অর্জনের কত গল্পই তো শোনা যায়। কত কত মানুষের জয়ের গাথা ঠাঁই পায় নানা বইয়ের পাতায়। কিন্তু যে অর্জন করে সেই জানে, বাধা পেরোতে কতটা দম লাগে। মো. তমিজ উদ্দিনের সে দম আছে। আছে যে, তা বলবার জন্য তাঁর পথটির দিকে তাকালেই চলে। গার্মেন্টসে কাজ করতে করতে পড়াশোনা, আর সেই পাঠ চুকিয়ে শেষে এই সময়ে সবার আরাধ্য বিসিএস ক্যাডার হওয়া তো মুখের কথা নয়।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জের মো. সইমুদ্দিন ও মোছা. তহমিনা বেগম দম্পতির বড় সন্তান মো. তমিজ উদ্দিন। মেধাবী হলেও টানাপোড়েনের সংসারে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়ার শঙ্কায় থাকতে হতো। মাধ্যমিকের পর সেই শঙ্কা অনেকটা বাস্তবে পরিণত হয়েছিল। পড়াশোনা ছেড়ে তাঁকে গার্মেন্টসে যোগ দিতে হয়। কিন্তু থেমে যাননি তমিজ। সব বাধা পেরিয়ে তিনি এখন বিসিএস ক্যাডার। সবশেষ ৪১তম বিসিএসে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) তাঁকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
এই বাধা ডিঙাতে যারা সহযোগী ছিলেন বা আছেন, তাঁদের এই আনন্দের ক্ষণে স্মরণ করেছেন তমিজ। তিনি বলেন, জীবনে দরিদ্রতার সঙ্গে সংগ্রাম করে আল্লাহর অশেষ রহমতে আজকে আমি ৪১তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত। আল্লাহর অশেষ রহমত, বাবা-মায়ের দোয়া, শিক্ষক এবং কিছু ফেরেশতাতূল্য মানুষের সহযোগিতায় এত দূর আসা সম্ভব হয়েছে।

তমিজের ভাষ্য, দরিদ্র দিনমজুর বাবার সংসারে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ার একটা ভয়ে থাকতেন। কিন্তু ভালো ফলাফল, বৃত্তি ও স্কুলের শিক্ষকদের সহযোগিতায় এসএসসি পর্যন্ত তেমন সমস্যা হয়নি। ২০১৩ সালে মাধ্যমিক পাসের পর তাঁর জীবনে নতুন করে সংগ্রাম শুরু হয়।

এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন এ+ পান। সাথে বৃত্তি। এর পর তাঁর বন্ধুরা সবাই যখন বিভিন্ন নামী কলেজে ভর্তি হচ্ছিলেন, তখন অর্থাভাবে তাঁকে ভর্তি হতে হয় বাড়ির কাছে খানসামা ডিগ্রি কলেজে। বিজ্ঞান বিভাগেই ভর্তি হন। তবে এক মাস না যেতেই বুঝতে আর বাকি থাকে না যে, তাঁর বাবার পক্ষে এত টিউশন ফি দেওয়া সম্ভব না।

ঠিক ওই সময়েই গ্রামের কিছু নেতার চাপে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তমিজের পরিবার বসতভিটা ছাড়তে বাধ্য হয়। এতে তাঁর পড়ালেখার স্বপ্ন প্রায় শেষের পথে চলে যায়। তবুও স্বপ্নটাকে কিছুটা জিইয়ে রাখতে তমিজ কলেজে গিয়ে বিভাগ পরিবর্তন করে মানবিক বিভাগ নিয়ে সেই দিনই ঢাকায় চলে যান।

তমিজ বলেন, ২০১৩ সালের আগস্টে গার্মেন্টসে কাটিং সেকশনে কাজ নিই। শুরু হয় আমার অন্য রকম একটা জগৎ। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা বা কোনোদিন রাত ৩টা পর্যন্ত কাজ। এভাবেই চলতে থাকে। ওই সময় প্রায় রাতেই কান্না করতাম। আর সৃষ্টিকর্তার কাছে নালিশ করতাম, আমার ভাগ্যে যদি এটাই রেখেছ, তবে এসএসসিতে এত ভালো ফলাফল কেন?

এর পর ২০১৪ সালের নভেম্বরে কলেজের টেস্ট পরীক্ষা হয়। কলেজের টেস্ট পরীক্ষার আগে সুযোগ বুঝে গার্মেন্টসের বসকে সব বলেন তমিজ। তিনি সব শুনে তমিজকে গ্রামে গিয়ে পরীক্ষা দিতে বলেন।

সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তমিজ বলেন, ‘কিন্তু আমার চাকরি হারানোর ভয় ছিল। তাই তাঁর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিই যে, আমাকে পরীক্ষার পরে আবার কাজে নিতে হবে। তিনি ভালো মানুষ ছিলেন। হেসে বলেন, “তোমার জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।” ভরসা পেয়ে ২০১৪ সালের অক্টোবরে টেস্ট পরীক্ষার এক মাস আগে গ্রামে চলে যাই। মন দিয়ে পড়াশোনা করি। টেস্ট পরীক্ষার ফলাফলে আমি তৃতীয় হই। আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। আরও বেশি পরিশ্রম করি। বোর্ড পরীক্ষায় এ+সহ আবারও বৃত্তি পাই।’

বৃত্তি তো মিলল। কিন্তু অভাব তো যায় না। তমিজ বলছেন, ‘ভেবেছিলাম ডিগ্রিতে ভর্তি হয়ে আবার গার্মেন্টসে চলে যাব। কিন্তু আমার বন্ধু জাফর, বেলাল, গণির মাধ্যমে এসব কথা জানতে পেরে বোর্ড পরীক্ষা চলাকালীন আমার কাছে ছুটে আসেন ঠাকুরগাঁও সদরের সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. মিলন ইসলাম স্যার, মো. সোহেল রানা ভাই, মো. এনাম ভাই। পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা শেষে আমাকে বিভিন্নভাবে সাহস যোগান তাঁরা। পরীক্ষার পর ওনারাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য সব ব্যবস্থা করে দেন।’

তমিজ বলেন, ‘মনে মনে একটাই সংকল্প ছিল ভর্তি হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই হব, অন্য কোথাও না। কারণ, সেখানে পড়লে টিউশনি করে চলা যাবে। সে সুযোগ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে খুব সীমিত। ভর্তি পরীক্ষা দিই। ২০১৫-১৬ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাই। মাস্টারদা’ সূর্যসেন আবাসিক হলে এটাচ পড়ে। আমার শিক্ষক ও আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় ভর্তি হই। এর পর ভীষণ আর্থিক সমস্যায় পড়ে যাই। তখন মো. ফেরদাউস হাসান ভাই টিউশনির ব্যবস্থা করে দেন।’

কঠিন সেই সময় যেন তমিজের চোখের সামনে। দৃশ্যের পর দৃশ্যে যেন তিনি নিজেকেই দেখছেন, নিজের লড়াইকে দেখছেন। আর বলে চলছেন, ‘শুরু হয় আমার টিউশন জীবন! ১টা থেকে ২টা, ২টা থেকে ৪টা টিউশনি করি! এভাবে পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশনির টাকা দিয়ে চলি, বাসায়ও কিছু পাঠাই। এর পর আর আমাকে পেছনে তাকাতে হয়নি। অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে ২০১৯ সালে স্নাতক ও ২০২০ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন হয়। করোনাকালে বাড়ি গিয়ে নিষ্ক্রিয় না থেকে অনলাইনে টিউশনি চালিয়ে যাই। এর মধ্যে ৪১তম বিসিএস-এ আবেদন করি। এটাই আমার প্রথম বিসিএস ছিল।’

আবেদন তো হলো। আরও অনেকেই করেছেন আবেদন। তমিজ খুব ভালো করে জানেন এই সময়ে বিসিএস শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থীদের কতটা আরাধ্য। ফলে আবেদন মানেই যে চাকরি নয়, তা তমিজ জানেন। সাথে এও জানেন বিসিএস ক্যাডার হতে হলে এক দীর্ঘ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু এর মাঝের সময়টা চলবে কী করে? ফলে আবার ঢাকায় তমিজ। কারণ, মাঝের এই সময়টার জন্য টিউশনিই যে শুধু ভরসা।

তমিজ বলছেন, ‘করোনার পর অবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক হলে ঢাকায় যাই। তখনো হল বন্ধ। মেসে থেকে সরাসরি টিউশনি শুরু করি। ওই সময় প্রায় দুপুর ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টিউশনি করিয়েছি। বাকি সময়টুকু চাকরির প্রস্তুতি। ২০২১ সালের মার্চ মাসে ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিই। উত্তীর্ণ হই। তারপর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা হয়। সেখানেও উত্তীর্ণ হই।’

এ পুরো সময়টায় তমিজ কিন্তু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন না। দারিদ্র্য, পরিবারের প্রতি দায়বোধ-এ সবই তাঁকে ছুটিয়ে বেড়িয়েছে। নিজের তৈরি পথে চলার জন্য হাত ধরে নিয়ে আসেন ছোট ভাইকে। তমিজের ভাষ্যে, ‘এ সময় ছোট ভাই রাজুকে ঢাকায় এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য পড়াশোনায় সাহায্য করি। খরচ বেড়ে যায়। টিউশনিও বাড়াতে হয়। জমানো কিছু টাকা ছিল সেটাসহ বাড়ি থেকেও কিছু নিয়ে ওর জন্য খরচ করি। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়। পরিবারের সবার সিদ্ধান্তে তাকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি করাই। সে এখন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।’

যুক্ত হতে থাকে সাফল্যের পালক। এ সময়েই ৪৩ ও ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিতে উত্তীর্ণ হন তমিজ। লিখিত পরীক্ষাও দেন। ৪৩ এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হন। ৪৫তম বিসিএসের প্রিলিতেও উত্তীর্ণ হন। মাঝে গতানুগতিক টিউশন জীবনে কিছুটা ছেদ পড়ে। প্রাইমারি স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি হয় তমিজের। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বীরগঞ্জের ১ নম্বর শিবরামপুর ইউনিয়নের মুরারীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন। এখন সেখানেই শিক্ষকতা করছেন। এর পর চলতি বছরের জুনে ৪১তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন তমিজ। চূড়ান্ত ফলাফলে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি।

কিন্তু এই সাফল্য তমিজকে আরও বেশি অতীত মনে করিয়ে দিচ্ছে। আরও বেশি করে তাঁর মনে পড়ছে সেইসব মানুষদের, যারা তাঁকে নানা বাধা ডিঙোতে সহায়তা করেছেন। তিনি চান, একদিন তিনিও অন্যদের সহায় হয়ে উঠতে পারবেন। তমিজ বলেন, ‘এ পর্যন্ত আসার ক্ষেত্রে যারা আমাকে আর্থিক, মানসিকভাবে সাহস যুগিয়েছেন তাদের সকলের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। আমি সততার সাথে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে চাই এবং সমাজে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করব।’

সূত্র: সোনার বাংলা। 


ABOUT US
সোনার বাংলা is one of the fastest growing news portal in Bangladesh. সোনার বাংলা keeps its followers updated about major topics like business, entertainment, sports, lifestyle and crime news.
FOLLOW US
  
About Us Contact Us Privacy Policy DMCA
© https://abdurrashid2024bd.blogspot.com



হাল না ছেড়ে দলে ফিরলেন বিজয়, ওয়ানডেতে আমলনামা

হাল না ছেড়ে দলে ফিরলেন বিজয়, ওয়ানডেতে আমলনামা



বোধহয় একেই বলে কপাল! ভাইরাস জ্বরের কারণে শেষ মুহূর্তে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গেছেন উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস। তার পরিবর্তে দলে ডাক পেয়েছেন এনামুল হক বিজয়। অথচ এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপকে সামনে রেখে গঠিত ৩২ জনের প্রাথমিক দলেই ছিলেন না তিনি। ইনজুরির কারণে এশিয়া কাপের দল ঘোষণার আগেই ছিটকে গেছেন তামিম ইকবাল। আশা দেখাচ্ছিলেন লিটন দাস। তবে জ্বরের কারণে প্রথম দফায় দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার বিমান ধরতে পারেননি তিনি। এরপর ধারণা করা হচ্ছিল, এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে না খেললেও বাকি ম্যাচগুলো খেলতে পারবেন। তবে সেটাও সম্ভব হলো না। লিটনের জন্য অবশ্য শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করছিল টাইগর টিম মানেজমেন্ট। কিন্তু ভাইরাস জ্বর থেকে এখনো সেরে উঠতে পারছেন না তিনি। যে কারণে লিটন পুরো এশিয়া কাপ থেকেই ছিটকে গেছেন। আরও পড়ুন: ভারত-শ্রীলঙ্কার আধিপত্য, অপেক্ষা ফুরোবে বাংলাদেশের? বুধবার (৩০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিজয়কে অন্তর্ভুক্ত করার প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, 'বিজয় আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করেছে, বিসিবির পর্যবেক্ষণেও ছিল। লিটন এশিয়া কাপে খেলতে পারছে না, তাই বিজয়কে আমরা স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছি।' এদিকে দলে ডাক পাওয়ার কয়েকদিন আগেই আশাবাদী পোস্ট দিয়েছিলেন বিজয়। সেখানে কিছুটা আক্ষেপেরও সুর ছিল ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের। কখনও হাল ছেড়ো না হ্যাশট্যাগে নিজের নাম ও জার্সি নম্বর উল্ল্যেখ করে ফেসবুকে বিজয় লিখেছিলেন, ‘প্রতিটি বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য কোনো না কোনো রাস্তা খোলা থাকে। আমার খেলার প্রতি আগেব অনড় থাকবে।’ আরও পড়ুন: বিজয়ের দলে ডাক পাওয়া নিয়ে যা বললেন সাকিব এর আগে বাংলাদেশের হয়ে ৪৪ টি ওয়ানডে খেলেছেন বিজয়। রান করেছেন ১২৫৪। সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ১২০ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)। ব্যাটিং গড় ৩০.৫৮। সেঞ্চুরি ৩ টি। সর্বশেষ তাকে দেখা গিয়েছিল ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে। জাতীয় দলে নিয়মিত না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যাট হাতে রীতিমত রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন তিনি। এশিয়া কাপে অবশ্য বিজয়ের পরিসংখ্যানও বেশ ভাল। মাত্র এক আসর খেলেই জায়গা করে নিয়েছেন উইজডেনের বাংলাদেশ একাদশে। খেলেছিলেন কেবল ২০১৪ সালে। সেবার বাংলাদেশ দল ভালো কিছু করতে ব্যর্থ হলেও বিজয় ছিলেন দারুণ ছন্দে। ৪ ম্যাচে ৫৬ দশমিক ৭৫ গড়ে করেছিলেন ২২৭ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০০ আর ভারতের বিপক্ষে ছিল ৭৭ রানের দারুণ দুই ইনিংস